Monday, February 4, 2013

অদ্ভুত কিসিমের মানব জাতি'র ইচ্ছা আকাঙ্ক্ষা

কতধরনের গর্ধব দেখলাম । আজকে ভিন্ন ধর্মী গর্ধবের কথা শুনলাম । শুনে মারাত্ত্বক ধরনের হাসি পাইল সাথে ইচ্ছে করছিল দু একটা কষে চড় দেয়ার ।

গর্দভ'এর প্রশ্ন হলঃ সে কি তার বৌ এর অনাবৃত ছবি অথবা ভিডিও সাথে রাখতে পারবে ?  যখন সে দূরে কথাও থাকবে তখন তা দেখার জন্য ? যখন তার ইচ্ছে হল তখন অন্য কোন ধরনের হারাম কাজে লিপ্ত না হয়ে বৌ এর অনাবৃত ছবি অথবা ভিডিও দেখতে পারবে কিনা ?

চিন্তা করেন কত কিসিমের মানুষ আছে ।

আল্লাহ আমাদেরকে সহজ পথে পরিচালিত করুন এবং সয়তানের নুংরামি থেকে আমাদের হেফাজাত করুন । আমিন...

Sunday, January 27, 2013

একটা ছোট্ট শিক্ষনীয় গল্প ।


এক রাজা ছিলেন যার একটা চোখ এবং একটা পা ছিল ।


তিনি অনেক চিত্রশিল্পীকে জিজ্ঞেশ করলেন উনার একটা সুন্দর ছবি একেঁ দিতে পারবে কিনা । কিন্তু কেউ সাহস করতে পারল না । পারবেই বা কেমনে , এক চোখ আর এক পা না থাকলে কেমন করে কারো ছবি সুন্দর করে আকাঁ যায় ?


কিন্তু একজন রাজার কথায় রাজি হল এবং অনেক ভেবে চিন্তে একটা ছবি আকাঁ শুরু করল ।


সবাই ছবিটা দেখে মুগ্ধ হয়ে গেল । রাজা উনার ছবি দেখে অনেক খুশী হলেন ।


ছবিতে রাজা এক পায়ে দাঁড়িয়ে এক চোখ বন্ধ করে শিকারকে শিকার করার জন্য নিশানা ঠিক করছেন ।


শিক্ষাঃ আমরা কেন অন্যের দুর্বলতাকে লুকিয়ে তাদের ভাল কাজের প্রশংসা করতে পারি না ? কেন আমরা অন্যের দোষ ত্রুটি গুলো সবাইকে বলে বেড়াইতে ভাল পাই ? 

Friday, January 25, 2013

কোখন হাত তুলে দোয়া করা বিদাহ্‌(


অনেক ঘাটা-ঘাটির পর জানতে পারলাম হাত তুলে দোয়া করাটা হচ্ছে বিদাহ্‌ ইসলামি বিজ্ঞদের মতে ।

জানতে পারলাম এমন কোন সাহীহ  হাদিস নাই যেখানে বলা আছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাত তুলে দোয়া করেছেন কোন ফরজ্‌ নামাজের পরে অথবা কোন সাহাবিদেরকেও এমন করতে দেখা গেছে।


রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুধু মাত্র বৃষ্টির জন্য দু-হাত তুলে দোয়া করেছিলেন ।


এমন কোন দোয়া যা হাদিসে উল্লেখ নেই অথবা অন্য কোন ইবাদত(যেমনঃ নামাজ, খুতবাহ্‌,তাওয়াফ ইত্যাদি)-এর সাথে সম্পর্কিত নয় সে সকল দোয়াতে হাত তুলে দোয়া করলে সমস্যা নেই ।

সবকিছুর পরে এটুকু বলতেই হয়।
আল্লাহ সবকিছু জানেন।
তাই যদি আমার কোন ভুল হয় আল্লাহ যেন আমাকে ক্ষমা করেন । আমিন।

Tuesday, January 22, 2013

দুনিয়াতে মানুষের প্রথম পায়ের ছাপ ( ফালতু )

এত দিন ধরে অদ্ভুদ একটা জিনিস মাথায় ছিল । মাঝে মাঝেই ফেইসবুকে দেখতাম কি একটা পায়ের ছাপ এর ছবি দিয়ে লিখা থাকত এটা নাকি পৃথিবীতে মানুষের প্রথম ছাপ ইত্যাদি ইত্যাদি । আল্লাহ সর্বশক্তিমানই জানেন আর কত ফালতু জিনিস মাথার ভেতর ঘুরপাক খাচ্ছে ।

আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাই যে আমাকে সত্য জানার সুজোগ করে দিয়েছেন ।

আল্লাহ বলেনঃ
অনন্তর শয়তান তাদের উভয়কে ওখান থেকে পদস্খলিত করেছিল। পরে তারা যে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে ছিল তা থেকে তাদেরকে বের করে দিল এবং আমি বললাম, তোমরা নেমে যাও। তোমরা পরস্পর একে অপরের শক্র হবে এবং তোমাদেরকে সেখানে কিছুকাল অবস্থান করতে হবে ও লাভ সংগ্রহ করতে হবে। [আল-বাকারাহ ২:৩৬]

তাছাড়া এরা কোথায় পদস্থলিত করেছেন এ বিষয়ে কোন কিছু কুর'আন এ লিখা নাই এবং কোন সাহিহ হাদিস ও নেই।

কিছু দা'ইফ (দুর্বল) হাদিস আছে । যেগুলোতে অনেক ধরনের জায়গার কথা উল্লেখ আছে । এবং এগুলো প্রত্যেকটিই হল কোন প্রমান ছাড়া হাদিস ।


সবকিছুর পরে এটুকু বলতেই হয়।
আল্লাহ সবকিছু জানেন।
তাই যদি আমার কোন ভুল হয় আল্লাহ যেন আমাকে ক্ষমা করেন । আমিন।

আল্লাহ'র নাম উল্লেখ আছে এমন কিছু মাটিতে পড়ে থাকতে দেখলে কি করা উচিত ?


সকল প্রশংসা আল্লাহর

এক জন প্রশ্ন করলেন মাঝে মাঝে দেখা যায় যে মাটিতে অথবা রাস্তাঘাটে অনেক ধরনের কাগজ পড়ে থাকে যাতে আল্লাহ'র নাম উল্লেখ থাকে । এ বিষয়ে ইসলামের আইন কি বলে ?

উত্তরঃ 

ইসলাম এটাকে অনুমতি দেয়ে না ।কারন এর দ্বারা আল্লাহকে এবং আল্লাহ'র নামকে অসম্মান করা হয়।

যে সব মুসলমান ভাই-বোনেরা ইসলামকে সম্মান করে তাদের এ বিষয়ে কিছু জিনিস লক্ষ রাখা উচিতঃ

১) আল্লাহর নাম উল্লেখ থাকবে এমন কোন কাগজকে অথবা বস্তুকে অসম্মানের সাথে ধরা অথবা ছুড়ে ফেলা অথবা এর উপর বসা উচিত নয় ।

২) সবাইকে এই পরামর্শ দিতে হবে ।

৩) মাটিতে অথবা রাস্তাঘাটে এমন কোন কিছু দেখলে যাতে আল্লাহ'র নাম অথবা কোন হাদিস উল্লেখ আছে তা তুলা এবং সেটাকে জ্বালিয়ে দেয়া অথবা এমন কোন জায়গায় পুঁতে ফেলা যেখানে মানুষজন হাটা-হাটি করে না অথবা কোন ভাল জায়গায় তা সংরক্ষন করা ।

সবকিছুর পরে এটুকু বলতেই হয়।
আল্লাহ সবকিছু জানেন।
তাই যদি আমার কোন ভুল হয় আল্লাহ যেন আমাকে ক্ষমা করেন । আমিন।

Monday, January 21, 2013

মুসলমানের উপর অপর মুসলমানের হক



আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, একজন মুসলমানের উপর অপর মুসলমানের ছয়টি হক রয়েছে। প্রশ্ন করা হল, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ! সেগুলো কি কি ?
 বললেন, (১)পরষ্পর সাক্ষাতে সালাম বিনিময় করা,( ২) আমন্ত্রণ করলে গ্রহণ করা, (৩) উপদেশ চাইলে উপদেশ দেওয়া, (৪) হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বললে উত্তরে ইয়ারহামুক আল্লাহ বলা,( ৫) অসুস্থ হলে সাক্ষাত করে খোঁজ খবর নেয়া (৬) মৃত্যুবরণ করলে জানাজায় উপস্থিত থাকা। সহীহ বুখারী .হাদীস নম্বর
আল-বুখারী ১২৪০ এবং মুসলিম (২১৬২)

এখন যেটা জানতে পারলাম সেটা হচ্ছেঃ

১) কেউ যদি সালাম দেয়ে তাহলে তার সালামের উত্তর দেয়াটা মুসলমানের জন্য ফরজ্‌।

২) আমন্ত্রনের ক্ষেত্রে ইসলামের বিজ্ঞদের মতে, যদি কেউ বিয়ের আমত্রন দেয়ে তাহলে সেখানে যাওয়া ফরজ্‌ এর সমতূল্য যদি না আল্লাহর খাতিরে অন্য কোন কাজ না থাকে । আর অন্য বেশিরভাগ আমন্ত্রন থাকলে তা পালন করা মুস্তাহাব ।

৩)মৃত্যুবরণ করলে জানাজায় উপস্থিত থাকা ফরজে্‌ কিফায়া ।

৪) অসুস্থ হলে সাক্ষাত করে খোঁজ খবর নেয়াও হচ্ছে ফরজে কিফায়া ।

৫) হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বললে উত্তরে ইয়ারহামুক আল্লাহ বলা টা অনেক ধরনের মত আছে বিজ্ঞদের । হানাফি এবং হানবালি মাহজাবে এটা হচ্ছে ফরজ্‌

৬) উপদেশ চাইলে উপদেশ দেওয়াটা হচ্ছে ফরজ-এ কিফায়া । এমনকি কেউ যদি উপদেশ চায় ও না তারপরেও তাকে উপদেশ দেয়া ফরজ-এ কিফায়া যদি তাকে উপদেশ দেয়াটা জরুরী হয়ে পড়ে ।


আমি এখান থেকে এই তথ্যটা পেয়েছিঃ লিংক

সবকিছুর পরে এটুকু বলতেই হয়।
আল্লাহ সবকিছু জানেন।
তাই যদি আমার কোন ভুল হয় আল্লাহ যেন আমাকে ক্ষমা করেন । আমিন।


Sunday, January 20, 2013

কুরআন তেলাওয়াত করে সোয়াব মৃত ব্যেক্তি দের জন্য পৌছিয়ে দেয়া


আমি এতদিন মনে করতাম কুরআন কয়েকটি পারায় বিভক্ত করে কয়েক জন এক এক অংশ পড়লে কোরান খতম দেয়া যায় । কিন্তু আজকে জানলাম এটা ভুল ।
প্রত্যেকে যে যতটুকু পড়বে সে ততটুকুই সোয়াব পাবে ।

আরেকটি কথাঃ আমরা কুরআন পড়ে মৃত ব্যেক্তিদের জন্য সেই সোয়াব পৌছিয়ে দেই ।তা সম্পুর্ন ভুল।

আমাদের নবী  রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো এমন করেননি এবং উনার কোন সাহাবীও তা করেননি ।

আমি এখান থেকে এই তথ্যটা পেয়েছিঃ লিংক

সবকিছুর পরে এটুকু বলতেই হয়।
আল্লাহ সবকিছু জানেন।
তাই যদি আমার কোন ভুল হয় আল্লাহ যেন আমাকে ক্ষমা করেন । আমিন।

Saturday, January 19, 2013

হারাম চাকরির উদাহরণঃ

একটু আগেই এই বিষয়ে জানতে পারলাম ।

যদি কেউ বাস ড্রাইভারের চাকরি করে এবং বাসে হারাম ছবি অথবা হারাম পন্নের বিজ্ঞাপন থাকে । যেমন বাসের বাইরে অনেক বড় বড় করে বিজ্ঞাপনের ছবি থাকে । তাহলে ওই বাস চালকের চাকরি হারাম হবে।


আমি এই বিষয়ে জানতে পেরেছি এখান থেকেঃ লিংক



সবকিছুর পরে এটুকু বলতেই হয়।
আল্লাহ সবকিছু জানেন।
তাই যদি আমার কোন ভুল হয় আল্লাহ যেন আমাকে ক্ষমা করেন । আমিন।

Friday, January 18, 2013

ইসলামে উল্লেখ নেই এমন কোন দিনের জন্য কাওকে অভিনন্দন জানানো হারাম




ইসলামিক বিজ্ঞ ব্যাক্তিদের মতে যে কোন ধরনের উত্তসব অথবা কোন ধর্মের বিশেষ দিন যা ইসলামে নেই তার জন্য অভিনন্দন জানানো  সম্পুর্ন হারাম । যদি কেউ এই রকমও অভিনন্দন জানায় যে, তোমার উত্তসব অভিনন্দন অথবা  অনেক অনেক মজা কর তোমার উত্তসবে তাও সেটা হবে হারাম, যদিও অনেকেই মনে করে এভাবে অভিনন্দন জানালে কুফরী থেকে বেঁচে গেলেন । এমন কি নতুন বছরের শুরুতে নতুন বছরের অভিনন্দন জানানোও পর্যন্ত হারাম বলেছেন ইসলামিক বিজ্ঞরা ।

এটা এমন হল যে কাউকে তার ধর্মের কাজে উত্তসাহ দেয়া অথবা অভিনন্দন জানানো । ঠিক যেমন, বড় দিনের জন্য কোন কৃষ্ঠানকে  অভিনন্দন করলে এটা দাঁড়ায় তাকে তুমি অভিনন্দন জানাচ্ছ ক্রস-কে সেজদাহ করার জন্য ।

এবং ইসলামি বিজ্ঞদের মতে এ ধরনের গুনাহ আর কাউকে অভিনন্দন জানানো মদ খাওয়ার জন্য অথবা হত্যা করার জন্য অথবা যেনা করার জন্য, এর সমান ।

অনেকেই আছে যাদের মধ্যে তার ধর্মের জন্য কোন শ্রদ্ধা নেই তারাই এই ধরনের পাপ কাজ করে থাকে । তারা হয়ত জানেও না যে তারা পাপ করছে ।


সবকিছুর পরে এটুকু বলতেই হয়।
আল্লাহ সবকিছু জানেন।
তাই যদি আমার কোন ভুল হয় আল্লাহ যেন আমাকে ক্ষমা করেন । আমিন।

ফ্রি নেয়ামত

দুটি নিয়ামত এমন আছে, যে দুটোতে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। তা হল সুস্থতা আর অবসর। (সহীহ বুখারী ৫৯৭০, ইফা)

এক জন্য বিজ্ঞ লোক এক ইমামের কথা বলছেনঃ আমি উনার প্রতিবেশী ছিলাম । প্রায় ১২ বছর আমার বাসা ছিল উনার বাসার ঠিক উপরে ।সাধারণত আমার রাতে কখনো ঘুম ভাংত না। একদিন রাতে ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ায় দেখতে পেলাম উনি রাতে মোমবাতির আলোতে বই পড়ছেন । এমনকি যখন তিনি যাই করতেন উনার বই উনার সাথে থাকত এবং উনি তা থেকে জ্ঞ্যান নিতেন । এবং এটাই মনে হয় একজন মুসলিমের বৈশিষ্ট।

  • আমি বলছি না আমাদেরকেও এইরকমই করা উচিত । আমি বলতে চাই প্রত্যেকের নিজের একটা ধরন থাকে। এবং প্রত্যেকের উচিত নিজের ধরনে নিজের কায়দায় নিজের বুদ্ধি দিয়ে নিজের মত করে সময়কে যথাযথ ব্যেবহার করা ।


সবকিছুর পরে এটুকু বলতেই হয়।
আল্লাহ সবকিছু জানেন।
তাই যদি আমার কোন ভুল হয় আল্লাহ যেন আমাকে ক্ষমা করেন । আমিন।

দু'মুখো মানুষ


৬০৫৩.আবু উসাঈদ সা'ঈদী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণীত। তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ ক্বিয়ামতের দিন তুমি আল্লাহর কাছে ঐ লোককে সব থেকে খারাপ পাবে, যে দু'মুখো । সে এদের সম্মুখে এক রুপ নিয়ে আসত,
 আর ওদের সম্মুখে অন্য রুপে আসত ।
 [৩৪৯৪; মুসলিম ৪৪/৪৮, হাঃ২৫২৬, আহমাদ ১০৭৯৫] ((আ.প্র ৫৬২৩,ই.ফা ৫৫১৯)

আমার কথাঃ সাধারণত আমি দুনিয়াতেও এই ধরনের মানুষদেরকে মোটেও পছন্দ করি না । আশা করি বেশিরভাগ মানুষই এই ধরনের মানুষদের কে পছন্দ করে না । কি দরকার রে ভাই মুখোশ পড়ার ? কি দরকার অন্যের কথা অন্যকে বলে বেড়ানো ? কি আনন্দ এক জনের মনে অন্যের ঘৃণা তৈরী করা ? 
খামাখাই এই ধরনের করে নিজের পাপ বাড়াচ্ছি । শুধু আল্লাহ'র কাছেই নয় সাধারণ মানুষের কাছেও নিজের ইজ্জ্বত নিজেই শেষ করছি ।

Thursday, January 17, 2013

Our First Post


Bismillahir Rahmanir Rahim.

আল্লাহ তা'আলা আমাদের ভুল গুলো ক্ষমা করে আমাদেরকে সত্য জানার তৌফিক দান করুন।
আল্লাহ তা'আল আমাদের সকল মুসলিম ভাই-বোনদের কে হেদায়াত দান করুন।
আমার ইচ্ছা কবুল করে আমাকে সত্য প্রচার করতে সাহাজ্য করুন।
আমিন আমিন আমিন...